জাতীয় সংসদে আরও ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম। পরে তা কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে কণ্ঠভোটে এসব কমিটি গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষক নেতা ও কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া। এ কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ-১), মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা (গোপালগঞ্জ-১), মো. জাহাঙ্গীর আলী মিয়া (মাদারীপুর-২), তাহসিনা রুশদীর (সিলেট-২), বীথিকা বিনতে হোসাইন (মহিলা আসন-২৪), মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১) এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাজ কী
জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ আইন প্রণয়ন এবং নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। এই দুই ক্ষেত্রেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাজ পর্যালোচনা, অনিয়ম ও গুরুতর অভিযোগ তদন্ত এবং বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ বা সুপারিশ করতে পারে। অর্থাৎ, সংসদের অধিবেশনের বাইরে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের ওপর সংসদীয় নজরদারি রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো এসব স্থায়ী কমিটি।
মন্ত্রণালয়ের কাজ পর্যালোচনা
মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্যতম কাজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা। মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে অনিয়ম বা গুরুতর অভিযোগের বিষয় থাকলে কমিটি তা তদন্ত করতে পারে। পর্যালোচনা ও তদন্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ বা সুপারিশও করতে পারে। ফলে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে সংসদে বিস্তারিত নজরদারি এবং জবাবদিহির সুযোগ তৈরি হয় এসব কমিটির মাধ্যমে।
