সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

পর্যটকদের অন্যরকম আকর্ষন হতে পারে বাশঁখালী

  • প্রকাশের সময়ঃ বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০
  • ১১২ জন পড়েছেন
শেয়ার করুনঃ

নুরুল আজিম ইমতিয়াজঃ

চট্টগ্রামের ৩৭৭ কি.মি বাঁশখালী উপজেলাটি হতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। বাঁশখালী ভু-প্রকতির নৈসর্গিক ভুমি। সবুজে সাজানো কোন কুঁড়েঘর। প্রকৃতি অপরুপ সৌন্দেয্যের দৃশ্য এই ছোট্ট বাঁশখালীতে উপভোগ করা যায়। নান্দনিক সুন্দরয্যের বাঁশখালীর উত্তরে কোল ঘেঁষে আছে সাঙ্গু নদী,পূর্বে সবুজে মোড়ানো উঁচু উঁচু পাহাড়,পশ্চিমে বিশাল জলরাশি সমুদ্র বঙ্গোপসাগর।দক্ষিণে রয়েছে লবণের মাঠ। -চা বাগান, -ইকো-পার্ক, -বাহার ছাড়া সমুদ্র সৈকত।

 

চা বাগান:: বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত চা বাগানটি।বাংলাদেশের সবুজ চা-পাতার গুণগত মানের দিকে দিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সিটি গ্রুপের তত্ববধায়নে এ বাগানটি পরিচালিত হয়। চা-বাগানটির প্রাকৃতিক সৌন্দয্য উপভোগ করতে, প্রতিদিন ছুটে আসে নানা প্রান্তর মানুষ।

 

ইকো-পার্ক:: বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে অবস্থিত বাঁশখালী ইকো-পার্ক। প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত উঁচু-নিচু পাহাড় ;বাংলাদেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু। দুটি চড়া, বামের চড়া এবং ডানের চড়া রয়েছে এই ইকো-পার্কে। চড়া গুলো প্রায় লেকের মতো। নৌকায় চড়ে কাপ্তাই লেকের স্বাদ উপভোগ করা যায়। বাঁশখালীর ইকো-পার্কের সৌন্দয্য যেকোন পর্যটককে মুগ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস ।

 

সমুদ্র সৈকত:: বাঁশখালী বাহারছাড়া ইউনিয়নে”মিনি কক্সবাজার”খ্যাত বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত। এখানে বসেই কক্সবাজার ভ্রমণে স্বাদ পাওয়া যাবে। উপভোগ করা যাবে গভীর সমুদ্রের আচঁড়ানো ঢেউ গুলো। ঝাউ বাগানে বসেই এটি দারুণভাবে উপভোগ করা যাবে। বাঁশখালীতে “জলকদর” খাল সহ অনেক কুমারী চড়াও রয়েছে।

 

প্রকৃতিক সৌর্ন্দয্যের এই বাঁশখালীকে পর্যটন উপজেলা ঘোষণার জন্য “চট্টগ্রাম-১৬ আসনের এম.পি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টা পেলেই” পর্যটন উপজেলা হওয়ার যে স্বপ্ন বাঁশখালীর তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে। সে স্বপ্ন পূরণ হবে।

মন্তব্য দিন ...

শেয়ার করুনঃ
মিস করলে পড়ে নিন ...