সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

চবিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসমাপ্ত পরীক্ষা সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময়ঃ শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২ জন পড়েছেন
শেয়ার করুনঃ

ক্যাম্পাস ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিভিন্ন বিভাগে আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
এসময় অতিসত্বর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল বিভাগের অসমাপ্ত পরীক্ষাগুলো নিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর বেলা একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় তারা ‘হয় পরীক্ষা নিন, না হয় চাকরি দিন’, ‘আর কত পরিবারের বোঝা হয়ে থাকবো? পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করে এবার আমাদের বিদায় দিন’, ‘প্রিয় চবি, এ নৈসর্গিক ক্যাম্পাসে পাঁচ বছর হতে চলল, তবু কেন আজও মোরা শুধুই ইন্টারপাশ? ঢাবি, জাবি পারলে চবি কেন পারছে না?’ ‘১৬ অক্টোবর খুলছে সিনেমা হল বন্ধ কেন পরীক্ষার হল?’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
এসময় চবি আইন বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী ফোরকানুল আলম বলেন, “কবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে সেটা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। এরকম চলতে থাকলে সামনে সরকারি-বেসরকারি অনেক চাকরির আবেদন করারও সুযোগ থাকবে না। অনার্সে মাত্র একটি পরীক্ষা আটকে আছে। ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থগিত একাডেমিক পরীক্ষাসমূহ গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে যা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিসীম স্বস্তির। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ আমাদের পরীক্ষার বিষয়ে এরকম একটি উদ্যােগ নিন।”
এছাড়া মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও শুধু থেমে আছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম। দু’একটি কোর্সের পরীক্ষার জন্য তাদের সবকিছু আটকে আছে। নির্ধারিত সময়ে ফল প্রকাশিত হচ্ছে না। পরীক্ষা অসমাপ্ত থাকায় একদিকে তারা যেমন অনলাইনে পরবর্তী বর্ষের ক্লাসে অংশ নিতে পারছি না, অন্যদিকে পড়তে হচ্ছে দীর্ঘ সেশনজটে। ফলে চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ছি।
মানববন্ধন শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থগিত পরীক্ষাসমূহ নেওয়ার দাবি জানিয়ে উপাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর প্রক্টরের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে চবি প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া আজাদীকে বলেন, “এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে উপাচার্য ম্যাড়ামের সাথে আমার কথা হয়েছে। ভাইভা, ব্যবহারিক বা যাদের দু’একটা পরীক্ষা বাকি রয়ে গেছে ঐ ব্যাপারে আট-দশদিনের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আমরা বসে আলোচনা করে জানাব।”

সিটিজিক্যাম্পাস/১০/২০২০

মন্তব্য দিন ...

শেয়ার করুনঃ
মিস করলে পড়ে নিন ...