বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২০ অপরাহ্ন

মহা বিজ্ঞানময় কুরআন (দ্বিতীয় পর্ব) – শিহাব ইকবাল

  • প্রকাশের সময়ঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪০ জন পড়েছেন
শেয়ার করুনঃ

 

আধুনিক তত্ত্ব বলে যে – নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি
সব কিছুই নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরছে অথচ বিজ্ঞানই অতীতে একবার বলছিল ‘পৃথিবী স্থির, সূর্য ঘোরে’, আবার আরেকবার বলছিল ‘সূর্য স্থির, পৃথিবী ঘোরে’। অবশেষে অনেক চেষ্টা ও গবেষণায় বিজ্ঞান আধুনিক তত্ত্বে উপনীত হয়েছে। কিন্তু মহাগ্রন্থ আল কুরআন ১৪০০ বছরেরও বেশি আগে সূরা ইয়াসিন-এর ৩৮ থেকে ৪০ নং আয়াতে ঘোষণা করেছে :
সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করেএটা
পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।
চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনজিল নির্ধারিত
করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার
অনুরূপ হয়ে যায়। সূর্য নাগাল পেতে পারেনা
চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলেনা দিনের।
প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ
করে।’
এই আয়াতগুলোতে আরো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব সুস্পষ্ট। সেটা এই যে,
চন্দ্রকলা বা চাঁদের হ্রাস-বৃদ্ধি যা নিত্যদিন সকলের
দৃষ্টিগোচর হয়, তা মহাগ্রন্থ কুরআনের উল্লিখিত
আয়াতগুলোতে বেশ সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে।
আজ কে না জানে শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষের কথা!
প্রথমে চাঁদ উদিত হয় অত্যন্ত সরু ও বাঁকা হয়ে।
তারপর একেকদিন একেক জায়গায় চাঁদ উদিত হতে থাকে এবং ক্রমান্বয়ে বড়োও হতে থাকে।
অবশেষে একদিন তা পূর্ণিমা চাঁদে পরিণত হয়।
মাসের প্রায় অর্ধেককাল ব্যাপি এই সময়কে বলা
হয় শুক্লপক্ষ। এরপর ঠিক বিপরীতভাবে ক্রমান্বয়ে
ছোট হতে থাকে চাঁদ। একেকদিন একেক সময়ে সেটি উদিত হতে থাকে। শেষপর্যন্ত ছোট হতে হতে
আবার অত্যন্ত সরু ও বাঁকা চাঁদে পরিণত হয়। পবিত্র কুরআনে এটাকেই পুরাতন খর্জুর শাখার সাথে তুলনা করা হয়েছে। এর পরের রাতে কোনো
চাঁদই আর দেখা যায়না যাকে অমাবস্যা বলা হয়।
মাসের প্রায় অর্ধেককাল ব্যাপি এই সময়কেই বলা
হয় কৃষ্ণপক্ষ। দৃশ্যমান চাঁদ তার মাসব্যাপি পরিভ্রমণ কালে একেকদিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, মহাগ্রন্থ কুরআনে মনজিল বলে সে দূরত্বকেই
বোঝানো হয়েছে।


মো শিহাব ইকবাল

প্রিন্সিপাল,  মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ

মন্তব্য দিন ...

শেয়ার করুনঃ
মিস করলে পড়ে নিন ...