1. ctg.soft.it@gmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  2. jaidmtarik@gmail.com : @dmin2014 :
  3. nakhokan12@gmail.com : @khokan :
  4. ctg.soft.it@gmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  5. aktar.asia@gmail.com : Ctgcampus.com : Ctgcampus.com
  6. ltasif48@gmail.com : আসিফুল ইসলাম : আসিফুল ইসলাম
  7. emteeaz2017@gmail.com : ইমতিয়াজ : ইমতিয়াজ সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  8. ahamedfarhad0123@gmail.com : ফরহাদ হোসাইন : ফরহাদ মাহমুদ
  9. Irfanulibrahim@gmail.com : irfan2020 :
  10. editor.ctgcampus@gmail.com : jaid :
  11. swo.ctg15@gmail.com : Ainan Mamun : Ainan Mamun
  12. munjir.saad@hotmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস নিউজ : মুনযির এম সাদ সিটিজি ক্যাম্পাস নিউজ
  13. abontu.ru95@gmail.com : আবু বক্কর অন্তু : আবু বক্কর অন্তু Ctgcampus
  14. rafiebc0@gmail.com : আরফাত হোছাইন রাফি : CtgCampus আরফাত হোছাইন রাফি
  15. rakibloh007@gmail.com : রাকিবুল হাসান : রাকিবুল হাসান
  16. Hasanlaw93.ru@gmail.com : sakib : sakib
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
করোনা আপডেটঃ
স্যাভলনের মূল্য ঘষামাজা, গুনতে হল জরিমানা দশহাজার টাকা জনস্বার্থ বিবেচনায় লকডাউন জবরদস্তি ও দমনমূলক নয়-মেয়র নাছির ১৬ বছর বয়সীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিবে ইসি এটিএন নিউজ আওয়ার এক্সট্রা অনুষ্ঠানে আজকের অতিথি অধ্যাপক পারভেজ বুয়েট শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগনের Covid-19 টেষ্ট ও অন্যান্য চিকিৎসায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনলাইন শিক্ষা নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের জন্য সব করা হবে: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করোনা কখন বিদায় হচ্ছে? চবিতে কোভিড-১৯ প্রাইমারী সাপোর্ট সেন্টার স্থাপনের কাজ শুরু করোনা আপডেট: চট্টগ্রামে আক্রান্ত ১৭৮, মৃত্যু ৪ লকডাউনে কাট্টলীতে ঘোরাঘুরি, গুণতে হলো জরিমানা

করোনাকালীন সমাজ ও রাষ্ট্রভাবনা

  • প্রকাশের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

চীনের উহান শহর থেকে শুরু করে করোনা ভাইরাস পৃথিবীর দেশে দেশে যেভাবে আক্রমণ করে চলছে তাতে সমস্ত স্তরের মানুষ ভয়াবহভাবে সংক্রমিত হচ্ছে। বিশ্ব জুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা এখন তিন লাখ ছাড়াল।যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি এন্ড মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (১১.০৫.২০২০) সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিন লাখ ৭ হাজার ৪৮৬ জন। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে ১৮৮টি দেশ বা অঞ্চলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে।

করোনা ভাইরাসের এখনও কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। রোগটির প্রকোপে উন্নত বা উন্নয়নশীল, সব ধরণের দেশই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের অনেক দেশে বা এলাকায় লকডাউন চলছে। বাংলাদেশেও ২৬ মার্চ থেকে চলছে অঘোষিত লকডাউন।বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪১টি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনে ১০,০০০ নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি।সবচেয়ে দুঃখজনক দিক হচ্ছে এই ভাইরাসটি মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশী সংখ্যক মানুষ মরেছে করোনা ভাইরাসে।

লকডাউন চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে, বিশেষ করে সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি, জনগনের ক্রয় ক্ষমতা স্থবির হয়ে পড়েছে। মানুষের দৈনন্দিন আয় কমে গিয়েছে। একজন মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।একজন মানুষ শারীরিক বা মানসিকভাবে কতটুকু সুস্থ থাকবে তা নির্ভর করে সে প্রতিদিন তার খাদ্য তালিকায় কি পরিমাণ পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করছে তার উপর।

বাংলাদেশ পুষ্টি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতে, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে গড়ে প্রতিদিন ২২০০ক্যালোরি খাদ্যের প্রয়োজন হয়।ক্যালরির এই ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়।

বাংলাদেশের চিত্রটা খুবই ভয়াবহ এই কারণে যে, বাংলাদেশ চিকিৎসা বিজ্ঞানে ভয়াবহভাবে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছে। কিছু উদাহরণ দিলেই বিষয়টা বুঝতে সুবিধা হবে। দেশে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বড় অংশেরই চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা হয়নি। ৮ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ৩৮৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৫৬ জন বাসায় অথবা কর্মস্থলে মারা গেছেন। তাদের ৬৪.৭৪ ভাগই একরকম বিনাচিকিৎসা বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আগেই মারা গেছেন।

উপসর্গে মৃতদের মধ্যে ১৪.১০ ভাগ স্থানীয় চিকিৎসক, পল্লী চিকিৎসক, হোমিওপ্যাথিক, কবিরাজ এমনকি তান্ত্রিকের কাছে গিয়েছিলেন। ১২.৮২ ভাগ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান এবং সেখান থেকে চিকিৎসা-পরামর্শ দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।

৭.০৫ ভাগ হোম বা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে মৃত্যুবরণ করেন। আর ১.২৮ ভাগ একাধিক হাসপাতালে গেছেন, তবে করোনা আতঙ্কে তাদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়েছে। ৩.৯০ ভাগ রাস্তার ধারে, মসজিদে, বাজারে, উপকূলে, চা বাগানে, বাসার সামনে বা হাসপাতালের বাইরে মরে পড়ে ছিলেন। (তথ্যসূত্রঃ ০৮.০৫.২০২০ সমকাল)

কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণে জনগণের জীবন কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তার একটা রূপরেখা ঠিক করে রাষ্ট্রীয়ভাবে কর্মপরিকল্পনা সাজাতে পারলে মানুষকে সমন্বিত একটা নিরাপত্তার আওতাধীন নিয়ে আসা যায়।

সমন্বিত নিরাপত্তার জন্য দেশের বিশিষ্টজনদের নিয়ে, বিশেষ করে শিক্ষক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি মন্ত্রী, এমপি,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, সংগঠক, সামাজিক সংগঠন, মানবিক সংগঠনকে সমন্বয় করে দেশের জনগণের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা যায়।

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে খাদ্য সংকট নিয়ে সরকারকে আরো মনোযোগী হতে হবে। এই জন্যই খাদ্য নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনদের নিয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।

সরকারের উচিত রাজনৈতিক সকল ভেদাভেদ ভুলে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সংগঠন ও গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা-মতবিনিময়-পরামর্শ করে সমন্বিত সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রেও উদ্যোগ নিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা যায়। কিন্তু আমরা দেখেছি সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যেই সমন্বয়হীনতা প্রকট হয়েছে।

পাশাপাশি নিজের মনোবল বৃদ্ধি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পালন করা যাতে দ্রুত ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। সর্বোপরি সত্যিকার অর্থে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও ব্যক্তি সচেতনতার যৌথ প্রয়াসের মাধ্যমেই কেবল করোনা সংকটকে মোকাবিলা করা সম্ভব।

বাকি বিল্লাহ শিবলী

সাংবাদিক, সাবেক শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য দিন ...
মিস করলে পড়ে নিন ...

© সকল স্বত্ত্ব  সংরক্ষিত © ২০১৪-২০ সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম ।।

Powered By : Cynor Technology