1. ctg.soft.it@gmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  2. jaidmtarik@gmail.com : @dmin2014 :
  3. nakhokan12@gmail.com : @khokan :
  4. ctg.soft.it@gmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম : সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  5. aktar.asia@gmail.com : Ctgcampus.com : Ctgcampus.com
  6. ltasif48@gmail.com : আসিফুল ইসলাম : আসিফুল ইসলাম
  7. emteeaz2017@gmail.com : ইমতিয়াজ : ইমতিয়াজ সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম
  8. ahamedfarhad0123@gmail.com : ফরহাদ হোসাইন : ফরহাদ মাহমুদ
  9. Irfanulibrahim@gmail.com : irfan2020 :
  10. editor.ctgcampus@gmail.com : jaid :
  11. swo.ctg15@gmail.com : Ainan Mamun : Ainan Mamun
  12. munjir.saad@hotmail.com : সিটিজি ক্যাম্পাস নিউজ : মুনযির এম সাদ সিটিজি ক্যাম্পাস নিউজ
  13. abontu.ru95@gmail.com : আবু বক্কর অন্তু : আবু বক্কর অন্তু Ctgcampus
  14. rafiebc0@gmail.com : আরফাত হোছাইন রাফি : CtgCampus আরফাত হোছাইন রাফি
  15. rakibloh007@gmail.com : রাকিবুল হাসান : রাকিবুল হাসান
  16. Hasanlaw93.ru@gmail.com : sakib : sakib
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
করোনা আপডেটঃ
স্যাভলনের মূল্য ঘষামাজা, গুনতে হল জরিমানা দশহাজার টাকা জনস্বার্থ বিবেচনায় লকডাউন জবরদস্তি ও দমনমূলক নয়-মেয়র নাছির ১৬ বছর বয়সীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিবে ইসি এটিএন নিউজ আওয়ার এক্সট্রা অনুষ্ঠানে আজকের অতিথি অধ্যাপক পারভেজ বুয়েট শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগনের Covid-19 টেষ্ট ও অন্যান্য চিকিৎসায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনলাইন শিক্ষা নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের জন্য সব করা হবে: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করোনা কখন বিদায় হচ্ছে? চবিতে কোভিড-১৯ প্রাইমারী সাপোর্ট সেন্টার স্থাপনের কাজ শুরু করোনা আপডেট: চট্টগ্রামে আক্রান্ত ১৭৮, মৃত্যু ৪ লকডাউনে কাট্টলীতে ঘোরাঘুরি, গুণতে হলো জরিমানা

“করোনা” আল্লাহ’র দিকে ফিরে আসার উত্তম সময়… (পর্ব-২)

  • প্রকাশের সময়ঃ রবিবার, ৩ মে, ২০২০

কলামঃ ইসলামিক জীবন

“করোনা” আল্লাহ্‌র দিকে ফিরে আসার উত্তম সময়… (পর্ব-২)

-ইবনে ওয়াহাব

-সহকারী সম্পাদক

এটা অস্বীকার করার কারণ নাই যে, করোনা নামক ভাইরাস আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা’র আযাব ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে। আল্লাহ্‌র নাফরমানী করার কারণে বৈশ্বিক করোনা দিয়ে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা আমাদের প্রতি অতি ক্ষুদ্র আযাব পাঠিয়েছেন। বস্তু কণা করোনা দিয়ে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা তার বান্দাহকে তার দিকে ফিরে আসার আহবান জানাচ্ছেন। এবং ফিরে আসার সময় দিচ্ছেন। এটা ঈমানদারদের জন্য একটি পরীক্ষা। তারা যেন আল্লাহ্‌র দিকে আরো ভাল করে ফিরে আসে। যেন তাদের ঈমান আরো মজবুত এবং ঝাঁঝালো হয়।

আজ আমরা মুসলমানরা আমাদের দ্বীনের ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছি। পাশ্চাত্যর আধুনিকতার নামে নিজেদেরকে অকল্যাণের পথে বিলিয়ে দিয়েছি। দুনিয়াবি স্বার্থ এবং পরকালীন জবাবদিহিতা ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমরা আমাদের কোরআনকে ভুলে গিয়েছি। আল্লাহ্‌র নাফরমানি করতে দ্বিধাবোধ নেই প্রতিটি মুহুর্তে। আস্তাগফিরুল্লাহ! আল্লাহ্‌ সুবহানাহু আমাদের ক্ষমা করুক।

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু আমাদের পূর্ববর্তী জাতিদের নাফরমানি স্বরূপ কেমন শাস্তি দিয়েছিল আমরা শিক্ষা নিতে পারি নাই। অথচ আল্লাহ্‌ সুবহানাহু অনেকবার পবিত্র কোরআনে তার বান্দাহদের সতর্ক করে দিয়েছেন এই বলে-

أَوَلَمْ يَهْدِ لِلَّذِينَ يَرِثُونَ الْأَرْضَ مِن بَعْدِ أَهْلِهَا أَن لَّوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُم بِذُنُوبِهِمْ ۚ وَنَطْبَعُ

عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ﴾

পৃথিবীর পূর্ববর্তী অধিবাসীদের পর যারা তার উত্তরাধিকারী হয়, তারা কি এ বাস্তবতা থেকে ততটুকুও শেখেনি যে আমি চাইলে তাদের অপরাধের দরুন তাদেরকে পাকড়াও করতে পারি৷  (কিন্তু তারা শিক্ষনীয় বিষয়াবলীর ব্যাপারে অবজ্ঞা ও অবহেলা প্রদর্শন করে থাকে৷) আর আমি তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেই৷ ফলে তার কিছুই শোনে না৷ সূরা আ’রাফ-১০০

কাফের-মুশরিকরা কখনো আল্লাহ্‌ সুবহানাহুর কাছে নতি স্বীকার করে নাই। করোনা আল্লাহ্‌র সৃষ্ট এটা মানতেও তারা নারাজ। কাজেই যখন কোন জাতির অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, বিপদেও তার হৃদয় আল্লাহর সামনে নত হয় না, আল্লাহর অপরিসীম অনুগ্রহে ও ধন-সম্পদের প্রাচুর্যেও তার হৃদয়ে কৃতজ্ঞতাবোধ জাগে না এবং কোন অবস্থায়ই সে সংশোধিত হয় না, তখন ধ্বংস তার মাথার ওপর এমনভাবে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে যেন তা যে কোন সময় তার ওপর নেমে আসবে। ঠিক যেমন সন্তান ধারণের সময় পূর্ণ হয়ে গেছে, এমন একজন গর্ভবতী নারীর যে কোন সময় সন্তান প্রসব হতে পারে।

রাসূল সঃ সেসব নির্বোধসুলভ মানসিকতার নকশা হাদীসে একেছেন এভাবে-

لاَ يَزَالُ الْبَلاَءُ بِالْمُؤْمِنِ ِ حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّامِن ذُنُوبِه , وَالمُنَافِقُ مَثَلُهُ كَمَثَلِ الْحِمَارِ لاَيَدرِى فَيمَ رَبَطَهُ اَهلُهُ وَلاَ فِيمَ اَرسَلُوهُ

“বিপদ-মুসিবত তো মু’মিনকে পর্যায়ক্রমে সংশোধন করতে থাকে, অবশেষে যখন সে এ চুল্লী থেকে বের হয়ে, তখন তার সমস্ত ভেজাল ও খাদ পুড়ে সে পরিচ্ছন্ন ও খাঁটি হয়ে বেরিয়ে আসে। কিন্তু মুনাফিকের অবস্থা হয় ঠিক গাধার মতো। সে কিছুই বোঝে না, তার মালিক কেন তাকে বেঁধে রেখেছিল আবার কেনইবা তাকে ছেড়ে দিল।”

অনেক জাতির উপর ইতিপূর্বে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা এর চেয়ে বড় আযাব দিয়েছে। আযাব চলে যাওয়ার পর তারা আবার নিজেদের দাপট, মিথ্যাচার শুরু করেছিল। নাফরমান সেসব জাতির উপর কখনো মহামারি, কখনো বাণিজ্যিক ক্ষয়ক্ষতি, কখনো ভূমিকম্প, কখনো জলচ্ছ্বাস, কখনো বানর আকৃতি করে, কখনো পঙ্গপাল, কখনো ছোট ছোট পাখির মাধ্যমে কংকর নিক্ষেপ ইত্যাদি দিয়ে একদিনে ধ্বংস করে দিয়েছেন। যাতে তাদের মন নরম হয়ে যায়, গর্ব-অহংকার বন্ধ হয়ে যায়, শক্তিমত্তা, ধনলিপ্সা, মানুষের উপর জুলুম করা থেকে বিরত থাকে। যারা নিজেদের পরাশক্তি, যোগ্যতা অনুভব করে তারা যেন বুঝতে পারে যে তাদের উপরে অন্য কোন শক্তিধর একজন আছে এবং তারই হাতে রয়েছে সমগ্র পৃথিবীর ভাগ্যের লাগাম। এভাবে যারা প্রকৃত ঈমনাদার তাদের চোখ কান খুলে যাবে এবং স্বীয় রবের সামনে সবিনয়ে শির আনত কিংবা সিজদায় অবনত করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

অমুসলিম জাতি তথা ইহুদী-নাসারা-মুশরিকদের দাবি করোনা ভাইরাস এদের ওদের গবেষণা কেন্দ্র থেকে এসেছে। এই বলে তারা মানুষদের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। একটু খেয়াল করে দেখবেন- যারা করোনা আল্লাহ্‌ প্রদত্ত আযাব মানতে অস্বীকার করছে সেই দেশ আমেরিকার শিকাগো’র রাস্তায় করোনা প্রতিরোধে বিশ্বনবী সঃ এর দেয়া সুন্নাত মেনে নেয়ার জন্য বিল বোর্ড বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে।

যুগে যুগে কাফের মুশরিকরা আল্লাহ্‌র আযাব এবং পরবর্তী নেয়ামত অস্বীকার করে আসছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার রহমত স্বরূপ করোনা চলে যাওয়ার পর তাদের মন্তব্য কি হতে পারে সেটাও আল্লাহ্‌ সুবহানাহু আরো ১৫শ’ বছর আগে কোরআনে ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা বলেন-

  • তারপর তাদের দূরবস্থাকে সমৃদ্ধিতে ভরে দিয়েছি। ফলে তারা প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে এবং বলতে শুরু করেছে “আমাদের পূর্বপুরুষদের ওপরও দুর্দিন ও সুদিনের আনাগোনা চলতো।“ অবশেষে আমি তাদের সহসাই পাকড়াও করেছি। অথচ তারা জানতেও পারেনি। সুরা আ’রাফ-৯৫

আমরা উম্মাতে মুহাম্মদী তথা বিশ্বনবী মুহাম্মদ সঃ এর শেষ উম্মাত অর্থাৎ, আমাদের পরে আর কোন জাতি আসবেনা। তাই আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে কঠিন আযাব থেকে রেহাই দিয়েছেন। বর্তমান জাতি কিংবা মানুষ যেসব পাপাচার, অন্যায়, জুলুম, কু-কর্ম, আল্লাহ্‌র সুবহানাহু’র নাফরমানীতে ব্যস্ত আল্লাহ্‌ চাইলে আমাদের রাতারাতি ধ্বংস করে দিতে পারেন। এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন-

  • জনপদের লোকেরা কি এখন এ ব্যাপারে নির্ভয় হয়ে গেছে যে, আমার শাস্তি কখনো অকস্মাত রাত্রিকালে তাদের ওপর এসে পড়বে না, যখন তারা থাকবে নিদ্রামগ্ন?
  • অথবা তারা নিশ্চিন্তে হয়ে গেছে যে, আমাদের মজবুত হাত কখনো দিনের বেলা তাদের ওপর এসে পড়বে না, যখন তারা খেলা ধুলায় মেতে থাকবে?
  • এরা কি আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে নির্ভীক হয়ে গেছে? অথচ যে সব সম্প্রাদায়ের ধ্বংস অবধারিত তারা ছাড়া আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে আর কেউ নির্ভীক হয় না৷
  • সূরা আরাফঃ ৯৭-৯৯

এই আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা তাফসীরকারকরা খুবই সুন্দরভাবে দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) ও আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) উভয়েই একযোগে রেওয়াত করেছেন যে, নবী (সা.) এর নবুওয়াত লাভের পর যখন কুরাইশরা তাঁর দাওয়াতের বিরুদ্ধে চরম উগ্র মনোভাব অবলম্বন করতে শুরু করে তখন নবী (সা.) দোয়া করেন, হে আল্লাহ! ইউসুফের যুগে যেমন সাত বছর দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তেমনি ধরনের দুর্ভিক্ষের সাহায্যে এ লোকদের মোকাবিলা করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করো। ফলে আল্লাহ‌ তাদেরকে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন করেন। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, লোকেরা মৃত প্রাণীর গোশত খেতে শুরু করে, এমন কি চামড়া, হাড় ও পশম পর্যন্ত খেয়ে ফেলে। অবশেষে মক্কার লোকেরা আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে নবী (সা.) এর কাছে তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করার আবেদন জানায়।

কিন্তু রাসুল সঃ এর দোয়ায় আল্লাহ‌ যখন সেই মহা সংকট থেকে তাদেরকে উদ্ধার করেন এবং লোকেরা আবার সুদিনের মুখ দেখে তখন তাদের বুক অহংকারে আগের চাইতে আরো বেশী স্ফীত হয়ে উঠে। তাদের মধ্যে থেকে যে গুটিকয় লোকের মন নরম হয়ে গিয়েছিল, দুষ্টলোকেরা তাদেরকেও এ বলে ঈমানের পথ থেকে ফিরিয়ে নিতে থাকে। আর বলতে থাকে এসব তো সময়ের উত্থান পতন ও কালের আবর্তন ছাড়া আর কিছুই নয়। এর আগেও দুর্ভিক্ষ এসেছে। এবারের দুর্ভিক্ষ দীর্ঘ দিন স্থায়ী হয়েছে এটা কোন নতুন কথা নয়। কাজেই এসব ব্যাপারে প্রতারিত হয়ে মুহাম্মাদের ফাঁদে পা দিয়ো না।

কাজেই কুরআন মজীদের এসব আয়াত অত্যন্ত সময়োপযোগী ও চলতি ঘটনাবলীর সাথে সামঞ্জস্যশীল ছিল। এ পটভূমিকার আলোকে এ আয়াতগুলোর নিগূঢ় অর্থ ও তাৎপর্য পুরোপুরি অনুধাবন করা যেতে পারে।“

(বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, সূরা ইউনুস ২১ আয়াত, আন নহল ১১২ আয়াত, আল মু’মিনূন ৫ও ৭৬, আদ দুখান ৯-১৬)।

করোনা থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা একজন আছেন। তিনি সার্বভৌমত্বের মালিক। আমরা যাই করিনা কেন, আল্লাহ্‌ সুবহানাহুকে ভয় করা উচিত। তার আদেশ নিষেধ আমাদের ইহকাল ও পরকালীন মুক্তির পাথেয় স্বরুপ।

করোনা আজ হোক বা কাল হোক ইনশাল্লাহ আল্লাহ্‌র সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার বান্দাহদের উপর থেকে উঠিয়ে নিবেন। এটা ভুলে গেলে চলবেনা। এটা আল্লাহ্‌ এমনি এমনি তুলে নিয়েছেন। না, নিশ্চয়ই পৃথিবীতে এখনও আল্লাহ্‌র খাটি গোলাম আছে যারা আল্লাহ্‌র কাছে কাঁদছে আর বলছে, হে আল্লাহ্‌! হে আমাদের রব! আমরা গুনাহগার বান্দাহ আপনার। আর আপনি আমাদের ক্ষমাকারী।। অতএব আমাদের আপনি ক্ষমা করে দিয়ে রহমতের ঢাল স্বরুপ এই মহামারি উঠিয়ে নিন। নিশ্চয়ই ঈমানদার এবং মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করবে। আর যারা অস্বীকারকারী তারা বলবে আমরা এটা মোকাবেলা করেছি। আল্লাহ্‌ সবাইকে বুঝার তৌফিক এবং হেদায়াত দান করুক। আমীন। চলবে…

মন্তব্য দিন ...
মিস করলে পড়ে নিন ...

© সকল স্বত্ত্ব  সংরক্ষিত © ২০১৪-২০ সিটিজি ক্যাম্পাস ডটকম ।।

Powered By : Cynor Technology